0 0

Share it on your social network:

Or you can just copy and share this url
অতিরিক্ত খেয়ে ফেলে অস্বস্তিতে ভুগছেন? জেনে নিন সমাধান!

অতিরিক্ত খেয়ে ফেলে অস্বস্তিতে ভুগছেন? জেনে নিন সমাধান!

খাবার খাওয়া যেমন আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি প্রয়োজন , কিন্ত আবার বেশি খওয়া ও অনেক রোগের কারন হয়ে থাকে। তাই খাবার খেতে হবে অনেক বুঝেশুনে।

  • Medium

Directions

Share

খেতে আমরা সবাই কম বেশি ভালোবাসি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় আমরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত খেয়ে ফেলি। যার ফলে দেখা দেয় নানা ধরণের সমস্যা। যে কোন উৎসবের আনন্দের সাথে যে ব্যাপারটি আমাদের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে সেটা হচ্ছে খাওয়া-দাওয়া। কিন্তু যত যাই হোক আমাদের স্বাস্থ্যের কথা খেয়াল রেখেই আমাদের খাওয়া উচিৎ। কিন্তু আমরা অনেকেই আছি যারা খাবার দেখলে আর নিজেকে সামলে রাখতে পারি না। তাই বেশি খাওয়ার পরিণতি হিসেবে আমাদের ভুগতে হয় নানা ধরণের শারীরিক সমস্যায়। তাই অতিরিক্ত খাওয়ার অপরকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।

কিন্তু আমরা যদি কোন কারণে বেশি খেয়েই ফেলি তাহলে কি হবে? চিন্তার কিছু নেই! কিছু ব্যাপার মাথায় রাখলে অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে যে অস্বস্তি এবং শারীরিক সমস্যা তৈরি হয় তা কমানো সম্ভব।

  • খাওয়ার সাথে সাথে পানি পান না করে, খাওয়া শেষ হওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন।
  • আদা ও লেবুর রস মিশিয়ে খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
  • সকালে উঠেই লেবু আর মধু এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে গুলে খেলে তা হজমের জন্য এবং মেদ কমাতে সহায়ক।
  • হজমের অস্বস্তি দূর করতে লেবু জলের জুড়ি নেই। লেবু জল হজমের প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে দেয়। এতে করে বেশি খাওয়া হয়ে গেলে যে অস্বস্তির মধ্যে পড়া হয় তা দূর হয়। এক গ্লাস জলে একটি লেবুর অর্ধেক অংশ চিপে পান করে ফেলুন। হজমের গন্ডগোল দূর হয়ে যাবে এবং অনেকটা আরাম পাবেন ইন শা আল্লাহ।
  • এছাড়া ইসবগুলের ভুসি খেলেও পেট ভালো থাকে। তাই অতিরিক্ত খাওয়ার পর ইসবগুলের ভুসি দিতে পারে পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি।
  • বেশি খাওয়া হয়ে গেলে খানিকক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন; এতে দেহে ক্লান্তি এসে ভর করে। কিন্তু আপনি যদি বেশি খেয়ে শুয়ে পড়েন তবে আপনার সমস্যা আরও বেড়ে যাবে।
  • বেশি খাওয়া হয়ে গেলে সবচাইতে বেশি যে সমস্যাটি হয় তা হল, বুক জ্বালাপোড়া করা। এই সমস্যা সমাধানের জন্য এক গ্লাস জলে লেবুর রস ও সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করতে পারেন। যদি এতে সমস্যার সমাধান না হয় তবে অ্যান্টাসিড জাতীয় ওষুধ খেয়ে দেখুন। এতে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা দূর হবে ইন শা আল্লাহ।
  • ডাবের পানি এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। চাইলে ডাক্তারের পরামর্শে ম্যাগনেসিয়াম সাইট্রেট ট্যাবলেট খেতে পারেন।
  • মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি ইত্যাদি গুরুপাক খাবার যখন খাবেন, তখন খাবারের সঙ্গে প্রচুর সালাদ খাবেন। কারণ সালাদ খাবার হজমে সাহায্য করে। এছাড়া প্রতি বেলার খাবারে অবশ্যই বেশি বেশি সবজি খাবেন। টক দই, বোরহানি, লেবুর শরবত (চিনি ছাড়া) ইত্যাদি খাবার হজমে সহায়ক। এগুলো খাবার পর খেতে পারেন।
  • যারা স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, কিডনির সমস্যা, গেটেবাত, হৃদরোগ ইত্যাদিতে ভুগছেন, তারা অবশ্যই ডাক্তারের বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ মত পরিমিত পরিমাণে গোশত খাবেন।
  • প্রতিবেলা মাংস না খেয়ে একবেলা হলেও মাছ খান। যেমন- রাতের খাবারে মাছ রাখতে পারেন। কারণ মাছে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ভালো।
  • বেশি মাংস খাওয়া হয়ে গেলে দিনে সবজি, সালাদ, ফল, ডাল খেয়ে ব্যাল্যান্স করুন।
  • খাবার দেখেই ঝাঁপিয়ে না পড়ে, আস্তে আস্তে খাওয়া শুরু করুন। নিজেকে সংযত করুন এবং পরিমিত আহার করুন।
  • বেশি ক্ষুধা লাগিয়ে না খেয়ে অল্প ক্ষুধা লাগলে খান, এতে কম খাওয়া হবে। খাবার আগে পানি খেয়ে নিন অথবা দাওয়াতে যাওয়ার আগে সালাদ, ফল ইত্যাদি কম ক্যালরির সহজ পাচ্য খাবার বা পানীয় খেয়ে নিন। তাহলেও কম খাওয়া হবে।
  • কোন বেলা বেশি খেয়ে ফেললে বা দাওয়াত থাকলে অন্য বেলা রুটি, সালাদ বা স্যুপ খেয়ে ব্যাল্যান্স করুন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে শর্করা জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।
  • কোমল পানীয় বা চিনি যুক্ত পানীয় না খাওয়াই ভালো। এসবের বদলে ফলের চিনি ছাড়া জুস, বোরহানি, টক দই, পুদিনা লাচ্ছি, ডাবের পানি ইত্যাদি খেতে পারেন।
(Visited 99 times, 1 visits today)

Thank you for reading!

Food Magazine

previous
ছাদ বাগানে টবে ড্রাগন ফল চাষ পদ্ধতি ও পুষ্টিগুণ
next
লাউ ইলিশ কারি
previous
ছাদ বাগানে টবে ড্রাগন ফল চাষ পদ্ধতি ও পুষ্টিগুণ
next
লাউ ইলিশ কারি

Add Your Comment